ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে যা করবেন

আইটি ডেস্ক, এবিসিনিউজবিডি, ঢাকা (৯ মে) : বাসার ওয়াইফাই কি মাঝেমধ্যে সমস্যা করছে। অনেক চেষ্টা করেও ঠিকঠাক মুভি দেখতে পারছেন না বা ইউটিউবের ভিডিওর চাকা শুধু ঘুরছেই। যদি এমন হয়, তাহলে কয়েকটি বিষয়ে ধারণা থাকা আবশ্যক।

গবেষকরা বলছেন, অনেক সময় পুরোনো দেয়াল বা দরজা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির বাধার কারণ হয়। তথ্যটা কিন্তু পুরোপুরি সত্যি নয়; বরং বাড়িতে বেশ কিছু জিনিস রয়েছে, যা ওয়াইফাই সংযোগের পথে (ফ্রিকোয়েন্সি) বাধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

ঘরের ভেতরে থাকা অনেক কিছুই ওয়াইফাই সংযোগের জন্য বাধা তৈরি করে। আয়না বা যে কোনো ধাতব পদার্থ সবচেয়ে বেশি বাধা দেয় এই ফ্রিকোয়েন্সিতে। ঘরে থাকা আয়নার যে অংশ প্রতিফলিত হয়, সেই অংশে ওয়াইফাই প্রতিহত হলে বাউন্স করে। ফলে এমনিতেই গতি হারায়। কারণ, ধাতব যে কোনো পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবাহী।

বাসায় থাকা অনেক ধাতব পদার্থ ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক ওয়েভ রিফ্লেক্টের কারণে হয়। এমন ধাতব পদার্থ ওয়াইফাই সিগন্যালকে সম্পূর্ণ বাধা দেয়। ফলে গতি অনেকাংশে কমে। অর্থাৎ ওয়াইফাই রাউটার ঘরের যে স্থানে রয়েছে, সেখানে যেন কোনোভাবেই আয়না না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। রাউটারের চারপাশে কোনো ধাতব পদার্থ না রাখাই শ্রেয়।

রাউটারের কাছে ব্লু-টুথ ডিভাইস না রাখা ভালো। অনেক সময় পিসি, ল্যাপটপ, স্পিকার, কিবোর্ড– এমন ধরনের ডিভাইস থেকে রাউটার দূরত্বে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অনেকের ধারণা, ইন্টারনেটের গতি এতে তুলনামূলক ভালো পাওয়া যায়। ধারণাটি একেবারে ঠিক নয়; বরং এটির কারণে ইন্টারনেটের গতি কমে যায়।

হয়তো অনেকেই জানেন না, ব্লু-টুথ বা ওয়াইফাই একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে। তাই একে অন্যের কাজে বাধার কারণ হয়। এতে ইন্টারনেটের গতিবিধি অনেকাংশে কমে যায়।

মনোয়ারুল হক/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook
ব্রেকিং নিউজ