শুভ-ফারিয়ার ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’
বিনোদন প্রতিবেদক, এবিসিনিউজবিডি, ঢাকা (২৭ জুলাই) : মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের ঐতিহাসিক লড়াইকে রুপালি পর্দায় তুলে আনতে নির্মিত হয়েছে একটি সিনেমা। নির্মাতা অনম বিশ্বাস পরিচালিত সিনেমাটির নাম ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর অবশেষে সিনেমাটি মুক্তির প্রস্তুতি শুরু করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এরই ধারাবাহিকতায় ঐতিহাসিক ২৫ জুলাই প্রকাশ করা হয়েছে সিনেমাটির প্রথম পোস্টার। সিনেমাটির পোস্টার প্রকাশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে প্রচার কার্যক্রম। মুক্তিযুদ্ধের এক অনন্য অধ্যায়— স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের আত্মত্যাগ, দেশপ্রেম এবং সংগ্রামের গল্পই উঠে আসবে এই সিনেমায়।
পোস্টারে যুদ্ধকালীন সময়ের বাংলাদেশের প্রতীকী আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। পানিতে ডুবে থাকা জনপদের সামনে এক ফুটবলারের ভাস্কর্য, আকাশে যুদ্ধবিমান এবং পাশে উড়তে থাকা বাংলাদেশের পতাকা— সব মিলিয়ে পোস্টারটি মুক্তিযুদ্ধ ও ফুটবলকে এক সুতোয় গেঁথে প্রতিরোধের শক্তিশালী বার্তা তুলে ধরেছে।
২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ, নুসরাত ফারিয়া, রেজওয়ান পারভেজ, খায়রুল বাসার, ইরফান সাজ্জাদ, আজাদ আবুল কালাম, শতাব্দী ওয়াদুদসহ আরও অনেকে।
১৯৭১ সালের ২৫ জুলাই ভারতের নদীয়া ফুটবল একাদশের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল। বিদেশের মাটিতে প্রথমবার বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা বহন করে খেলতে নামা সেই ম্যাচ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গৌরবময় অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনাকেই কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’ সিনেমাটি।
সিনেমাটির মুক্তি প্রসঙ্গে নির্মাতা অনম বিশ্বাস জানান, ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’ এ বছরই মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সিনেমাটির মুক্তিকে সামনে রেখে ধীরে ধীরে প্রচারমূলক কার্যক্রম শুরু করছেন তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতি বছরের ডিসেম্বরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে পারে ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই সিনেমায় শুধু যুদ্ধের গল্পই নয়, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের মাঠের লড়াই, দেশপ্রেম এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গড়ে তোলার সংগ্রামও তুলে ধরা হয়েছে।
সিনেমাটির পোস্টার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে নুসরাত ফারিয়া লিখেছেন, ‘আজ ২৫ জুলাই। আমার নতুন সিনেমার খবর এল। দিন শেষে ঠিকানা তো আমার বাংলাদেশই। আশা করি কিছু মানুষ বুঝবে।’
মনোয়ারুল হক/
