সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারে গবেষণার অনন্য মডেল আইইডিসিআর: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক, এবিসিনিউজবিডি, ঢাকা (২০ সেপ্টেম্বর): দেশের সীমিত সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদনশীলতা ও সক্ষমতা কীভাবে বৃদ্ধি করা সম্ভব, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) তার একটি চমৎকার উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
রবিবার রাজধানীর মহাখালীর আইইডিসিআর মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ এফইটিপি কনফারেন্স ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
‘মাঠপর্যায়ের রোগতত্ত্ব চর্চা জোরদারকরণ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ সম্মেলনের যৌথ উদোক্তা ছিল আইইডিসিআর এবং ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত তার বক্তব্যে বলেন, ‘জাতীয় একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইইডিসিআর দীর্ঘকাল ধরে দেশের এপিডেমিওলজিক্যাল জনবলের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে চলেছে। বিশেষ করে তাদের ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম (এফইটিপি) একটি অত্যন্ত সফল উদ্যোগ। এ কর্মসূচির গ্র্যাজুয়েটরা দেশ পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করছেন এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রশংসনীয় অবদান রাখছেন।’
জাতীয় পর্যায়ে উদীয়মান গবেষক, শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, গত শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সাথে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) বৈঠকে দেশের দক্ষ জনশক্তি তৈরির বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। দেশে অনেক উন্নত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান থাকলেও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের অভাবে সীমিত সম্পদের শতভাগ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। এ দিকটিতে আইইডিসিআর অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।
সম্মেলনে প্রদর্শিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পোস্টার ও গবেষণাপত্রের ভূয়সী প্রশংসা করে ড. এম এ মুহিত বলেন, সেখানে উপস্থাপিত গবেষণাগুলো মানদণ্ডের দিক থেকে আন্তর্জাতিক মানের সমকক্ষ। সবচেয়ে আশার ব্যাপার হলো, এই গবেষণাগুলোর মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাংলাদেশের বাস্তবমুখী সমস্যা এবং বিশাল জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যঝুঁকি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইডিসিআরের পরিচালক ড. কাজী আহমেদ জাকি এবং সায়েন্টিফিক কমিটির চেয়ারম্যান ড. এস এম বাকী বিল্লাহ।
মনোয়ারুল হক/
