গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের পার্থক্য শূন্যে নামিয়ে আনা হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, এবিসিনিউজবিডি, (১৯ সেপ্টেম্বর): অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যকার ঘাটতি সম্পূর্ণ দূর করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর এলাকায় নতুন একটি কূপের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নবসংযুক্ত এই কূপটি থেকে প্রতিদিন ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।

এর আগে, গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুরে তিতাস ২৮ নম্বর কূপটির খননকাজ শুরু হয়। যা সফলভাবে শেষ হয় গত ২৭ মে। পরবর্তীতে গত ১৯ জুন থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এই কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করা হয়। ইতোমধ্যে এই কূপের মাধ্যমে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সমমূল্যের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক জসিম উদ্দিন মুন্না জানান, তিতাস ২৮ নম্বর কূপের ওয়েলহেড শাট-ইন প্রেসার ৩৬০০ পিএসআই এবং ফ্লোয়িং প্রেসার রয়েছে ২১০০ পিএসআই। দীর্ঘমেয়াদে এই কূপ থেকে নির্বিঘ্নে গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। বর্তমানে প্রতিদিন ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস তুলে তা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে মোট ১৫০টি কূপ খননের যে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তার অংশ হিসেবে এরই মধ্যে ২৯টি কূপের খননকাজ সম্পন্ন হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় তিতাস ২৮ নম্বর কূপ থেকে দৈনিক ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের শুভউদ্বোধন করা হলো।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব মো. জিয়াউল হক এবং বিজিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল জলিল প্রামানিকসহ জ্বালানি খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মনোয়ারুল হক/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook
ব্রেকিং নিউজ