বন্ধ হওয়া কলকারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক (ঢাকা), এবিসিনিউজবিডি, (১ মে) : দেশে বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো ফের চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘বিগত বছরগুলোতে বন্ধ হওয়া কলকারখানাগুলো পর্যায়ক্রমে চালুর উদ্যোগ নিয়েছি। কলকারখানাগুলোর কোনটি কতটা দ্রুত চালু করা যায় সে বিষয় উদ্যোগ নিতে এবং বেকার শ্রমিকদের দ্রুত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে নির্দেশনা দিয়েছি। এ সপ্তাহে এ-সংক্রান্ত একটি মিটিং আছে।’
আজ শুক্রবার আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন বিএনপির চেয়ারম্যান। বেলা আড়াইটায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়ার মধ্য দিয়ে সমাবেশ শুরু হয়। পরে বেলা ৪টা ১৯ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে এসে পৌঁছান।
এ সময় হাজার হাজার মানুষ করতালি ও স্লোগান দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করেন। এ ছাড়া মঞ্চের সামনে থাকা শ্রমিক নেতা-কর্মীরা তাঁদের হাতে থাকা কৃষি ও শিল্প সরঞ্জাম ওপরে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও হাত নেড়ে তাঁদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু এই বন্ধ কলকারখানা চালু হলেই সকল শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে না। আমরা জানি, এই শ্রমিকদের পাশাপাশি আরও বহু লাখ বেকার রয়েছেন দেশে। তাঁদের জন্য দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। এ জন্য আমরা বিদেশি-দেশীয় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছি। তাঁদের উৎসাহ প্রদান করছি, যাতে বিনিয়োগকারীরা দেশে কলকারখানা তৈরি করেন।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ আমরা জানি দেশে কলকারখানা তৈরি হলে দেশের শ্রমিকেরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন। শ্রমিকেরা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। কৃষকেরা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। অর্থাৎ সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ যখন ভালো থাকবে তখনই এই দেশ, বাংলাদেশ ভালো থাকবে। ’
তারেক রহমান উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাস্তায় হকার ভাইয়েরা ছিল, কিন্তু যানজটসহ সাধারণ মানুষের চলাফেরার অসুবিধার জন্য আমরা হকার ভাইদের সরিয়ে দিয়েছি। কিন্তু আমরা এটাও বুঝি তাঁরাও মানুষ, তাঁদেরও পরিবার আছে, তাঁদেরকেও খেয়ে-পরে বাঁচতে হবে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছি যে হকার উচ্ছেদ করলে শুধু হবে না, তাঁদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। নির্বাচিত সরকার অবশ্যই খেটে খাওয়া মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে।’
মনোয়ারুল হক/
