১৪ বছর পর রিয়াল মাদ্রিদকে হারাল বায়ার্ন মিউনিখ

ক্রীড়া প্রতিবেদক, এবিসিনিউজবিডি, ঢাকা (৮ এপ্রিল) : ২০১১-১২ মৌসুমে শেষবার স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ। এরপর একে একে কেটে গেছে ১৪ বছর। অবশেষে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ধরা দিল অধরা জয়। চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের প্রথম লেগে রিয়ালকে ২-১ গোল ব্যবধানে হারিয়েছে জার্মান ক্লাবটি।

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৪৮ শতাংশ সময় নিজেদের অধীনে বল ধরে রাখে রিয়াল মাদ্রিদের ফুটবলাররা। আর বায়ার্ন গোলবারে মোট শট নেয় ৩১টি। এর মধ্যে লক্ষ্যে ছিল ১০টি। কিন্তু গোল এসেছে কেবল একটি। অন্যদিকে ৫২ শতাংশ সময় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে বল রাখেন বায়ার্ন মিউনিখের ফুটবলাররা। রিয়ালের গোলবারে তারা শট নিয়েছে ২৩টি। অনটার্গেটে ছিল চারটি। তাতেই এসেছে দুটো গোল।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিমায় খেলতে থাকে বায়ার্ন মিউনিখ। তবে একের পর এক আক্রমণ করলেও মিলছিল না গোলের দেখা। অবশেষে ম্যাচের ৪১তম মিনিটে লিভারপুলের সাবেক দুই সতীর্থের রসায়নে এগিয়ে যায় বায়ার্ন। সার্জে গ্যানাব্রির পাস থেকে বল পেয়ে জালে জড়ান লুইস দিয়াজ। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাভারিয়ানরা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হ্যারি কেন। মাইকেল অলিসের ব্যাক-পাস থেকে পাওয়া বলে বক্সের কোণা থেকে দুর্দান্ত এক শটে গোল করেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার। এটি চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে কেনের ৪৯তম এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে ১১তম গোল।

রিয়াল মাদ্রিদ গোল পরিশোধ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠলে বাধা হয়ে দাঁড়ান বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়ার। এমবাপ্পে এবং ভিনিসিয়ুসের একাধিক আক্রমণ দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন তিনি। তবে ৭৪তম মিনিটে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের নিখুঁত ক্রস থেকে এমবাপ্পে নয়ারকে পরাস্ত করলে ব্যবধান কমে হয় ২-১। এরপর ম্যাচে আর কোনো গোল না হলে জয় নিশ্চিত হয় বায়ার্ন মিউনিখের।

ইনজুরি নিয়ে সংশয় থাকলেও পুরো ম্যাচ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন কেন। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, “আমরা আজ সত্যিই দারুণ ফুটবল খেলেছি। যদিও ফিনিশিংয়ে আমরা আরও ভালো করতে পারতাম, তবে জয় নিয়ে ফিরতে পেরে আমি খুশি।’

মনোয়ারুল হক/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook
ব্রেকিং নিউজ