হৃদরোগ সচেতনতায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কয়েকটি সহজ পরামর্শ
স্বাস্থ্য ডেস্ক, এবিসিনিউজবিডি, ঢাকা (২ মার্চ) : আমেরিকান হার্ট মাস উপলক্ষে চিকিৎসকরা হৃদরোগ সম্পর্কে সচেতন হতে এবং প্রতিদিনের অভ্যাস পরিবর্তনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। সুস্থ জীবনযাপন শুধু বর্তমান নয়, বরং ভবিষ্যতের দীর্ঘায়ু নিশ্চিত করতেও সাহায্য করে।
রোগ নির্ণয়ে ‘সিটি হার্ট সেভার’ পরীক্ষার গুরুত্ব
ন্যাপ মেডিক্যাল সেন্টারের বিশেষজ্ঞ ডা. মেনদিওলা জানান, হৃদরোগের ঝুঁকি আগেভাগেই শনাক্ত করতে ‘সিটি হার্ট সেভার’ পরীক্ষা অত্যন্ত কার্যকর। এটি একটি স্বল্পমাত্রার সিটি স্ক্যান, যা ধমনিতে ক্যালসিয়াম বা চর্বি (প্লাক) জমার পরিমাণ নিখুঁতভাবে দেখায়।
এর ফলে কোনো জরুরি অবস্থা বা হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আগেই সতর্ক হওয়া সম্ভব।
আপনার হৃৎপিণ্ড কতটা সুস্থ আছে তা বুঝতে নিচের বিষয়গুলো নিয়মিত পরীক্ষা করা জরুরি :
রক্তচাপ : আদর্শ রক্তচাপ সাধারণত ১২০/৮০-এর নিচে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। উচ্চ রক্তচাপের কোনো স্পষ্ট উপসর্গ থাকে না, তাই পরীক্ষা না করলে বিপদ বোঝা কঠিন।
রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল : এই দুটি সূচক নিয়ন্ত্রণে রাখা হৃদস্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।
রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল এই দুটি সূচক নিয়ন্ত্রণে রাখা হৃদস্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।
দৈনন্দিন জীবনে সামান্য কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমানো সম্ভব :
১. সুষম খাদ্য : খাবারে শাকসবজি বাড়ানো এবং ভাজাপোড়া খাবার কমিয়ে দেওয়া।
২. শারীরিক পরিশ্রম : প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করা। এমনকি ঘরের টুকটাক কাজও শরীরের জন্য উপকারী।
৩. সচেতনতা : অনেক দোকানে বা ফার্মেসিতে বিনা মূল্যে রক্তচাপ মাপার সুযোগ থাকে, যা নিয়মিত ব্যবহার করা উচিত।
ডা. মেনদিওলার মতে, নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া কোনো বিলাসিতা নয়, বরং প্রয়োজন। সুস্থ থাকতে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং নিয়মিত শরীরচর্চার কোনো বিকল্প নেই।
সূত্র : ভ্যালি সেন্ট্রাল
মনোয়ারুল হক/
