হিংসা, প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার পরিণতি ভয়াবহ: তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক (ঢাকা), এবিসিনিউজবিডি, (১১ জানুয়ারি) : হিংসা-প্রতিহিংসায় ফিরে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। আলোচনার মধ্যেই সমাধান বের করে আনতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমাদের সমস্যা ছিল, আমাদের সমস্যা আছে। অবশ্যই আমরা ১৫ বা ৫ আগস্টের আগে ফিরে যেতে চাই না। হিংসা, প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার পরিণতি কী হতে পারে তা আমরা ৫ আগস্ট দেখেছি। তাই ৫ আগস্টের আগে ফিরে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। দলমত নির্বিশেষে আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকবে। কিন্তু আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান বের করে আনতে হবে।’

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে জাতীয় সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন গণমাধ্যমের সম্পাদক এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল ও চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।

তারেক রহমান বলেন, ‘আমি যদি আমার অবস্থান থেকে চিন্তা করি, আমার একপাশে ১৯৮১ সালের একটি জানাজা, আরেক পাশে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের একটি জানাজা এবং আরেক পাশে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের একটি ঘটনা। এই উদাহরণগুলো শুধু আমার একার জন্য নয়, আমার দলের নেতা-কর্মী এবং গোটা জাতির জন্য সবচেয়ে বড় শিক্ষা।’

তিনি বলেন, ‘দলমত নির্বিশেষে মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু সেই মতপার্থক্য যেন কখনো মতবিভেদে রূপ না নেয়। মতবিভেদ জাতিকে বিভক্ত করে ফেলে, তার ভয়াবহ পরিণতি আমরা আগেও দেখেছি। অনেকের মুখে আমরা হতাশার কথা শুনি। কিন্তু তার পরও আশার কথা হচ্ছে, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা আছে।’

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
সভায় উপস্থিত সাংবাদিকদের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার বড় উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে। মাহমুদুর রহমানের ওপর নির্যাতনের কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, ‘উনার রক্তমাখা ছবিটি আজও আমার চোখের সামনে ভাসে।’ জেলে মৃত্যুবরণকারী রুহুল আমিন গাজীর কথাও স্মরণ করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ৬০ লাখ নেতা-কর্মী এবং আমার মায়ের সঙ্গে কী হয়েছে, তা এক করলে দেশের বাস্তবতা বোঝা যায়।

সামনে চ্যালেঞ্জ অনেক
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের সামনে অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ আছে, মতপার্থক্য আছে। আমরা আলোচনা করতে পারি। আমাদের যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক যাত্রা চালু রাখতে হবে। জাতীয় থেকে স্থানীয় পর্যায়ে, যেকোনো মূল্যে আমাদের জবাবদিহি চালু রাখতে হবে। আমার বিশ্বাস, যদি জবাবদিহি ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে পারি, তাহলে অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হব।’

তারেক রহমান বলেন, ‘২২ জানুয়ারি থেকে সব রকম পরিকল্পনা নিয়ে আমরা জনগণের সামনে যাব।’

পানিসংকট: ভয়াবহ ভবিষ্যতের সতর্কতা
পানিসংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তারেক রহমান বলেন, আগামী ১০-১৫ বছরের মধ্যে ঢাকা শহরে পানির মারাত্মক সংকট দেখা দিতে পারে। বুড়িগঙ্গা শতভাগ দূষিত, শীতলক্ষ্যা ৫০ শতাংশ দূষিত। মেঘনা থেকে পানি আনার প্রকল্পও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে না। এটিও ১০-১৫ বছর পর আর থাকবে না। এই বিষয়গুলোর সমাধান ইস্যু নিয়ে সংসদে বা সেমিনারে আলোচনা হওয়া উচিত।

তরুণ সমাজের কর্মসংস্থান ও গাইডেনসের প্রয়োজন
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী দিকনির্দেশনা চায়। শুধু নতুন প্রজন্মই নয়, সব প্রজন্মই এখন নেতৃত্বের কাছ থেকে দিকনির্দেশনা প্রত্যাশা করছে। সব প্রত্যাশা হয়তোবা পূরণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু আমরা যদি ১৯৭১, ১৯৯০, ২০০৪ ও ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের অভিজ্ঞতা সামনে রেখে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য কাজ করি, তাহলে দেশকে সঠিক পথে নেওয়া সম্ভব।’

তিনি বলেন, এ দেশে কোটি কোটি মানুষের মধ্যে একটি বড় অংশ তরুণ। এই তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। এই কাজটি করতে না পারলে ৫ আগস্ট, ৯০-এর আন্দোলন ও ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রত্যেকটি প্রত্যাশা ধ্বংস হয়ে যাবে।

নারী নিরাপত্তা, সড়ক দুর্ঘটনা ও কৃষকদের কথা
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘নারী-পুরুষ সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিবছর প্রায় ৭ হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছেন, যাদের বেশির ভাগই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। অথবা লোকটি যদি পঙ্গু হয়ে যান, তাহলে তার পরিবারের অবস্থা নাজুক হয়ে যায়। এই বিষয়টি আমাদের নজরে আনা উচিত। আমার মনে হয়, এরকম আরও অনেক বিষয় আছে, যেগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর চিন্তাভাবনা করা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘দেশে প্রায় দেড় কোটি কৃষক আছেন, যারা ২০ কোটি মানুষের খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। আমাদের চিন্তা করতে হবে, কীভাবে এত বড় সমাজকে সাপোর্ট দেওয়া যায়।’

ফ্যামিলি কার্ড ও নারীর ক্ষমতায়ন
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে। বাংলাদেশে প্রায় চার কোটি পরিবার আছে। পর্যায়ক্রমে সব পরিবারকে কার্ড দেওয়া হবে। পাঁচ থেকে সাত বছর সরাসরি সহায়তা দিলে পরিবার, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগ লাভবান হবে।

কার্ডটি কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে ডিসি-এসপির স্ত্রীও পাবেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাদের প্রয়োজন নেই, তারা নেবেন না– এটাই আমাদের বিশ্বাস।

স্বাস্থ্যসেবা ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে জোর
স্বাস্থ্য খাতে ইউরোপীয় দেশগুলোর উদাহরণ টেনে তারেক রহমান বলেন, চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের খরচ কমে এবং মানুষ সুস্থ থাকেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। সে জন্য এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে, যার ৮০-৮৫ শতাংশ হবেন নারী। তারা পরিবার পরিকল্পনা, স্বাস্থ্য সচেতনতা ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কাজ করবেন।

কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড, সবার জন্য চিকিৎসা সুবিধা, তরুণ সমাজের কর্মসংস্থানের জন্য ভোকেশনাল টেকনোলজিক্যাল ইনস্টিটিউশন-আধুনিকায়ন, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার জন্য প্রশিক্ষণ, আইটি সেক্টর, উদ্যোক্তা তৈরি, আইটি পার্কগুলোকে নতুনভাবে সুবিধা দিয়ে গড়ে তোলা হবে। এ ছাড়াও কন্টেট তৈরির কাজে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা দূর করে তা আরও সহজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

সভায় যা বললেন সম্পাদকরা
তারেক রহমানকে পরামর্শ দিয়ে যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান বলেন, সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক থেকে অর্থ পাচার বন্ধ করতে হবে এবং পাচার রোধে বিশেষ কমিটি গঠন করতে হবে। সাধারণ মানুষের জন্য দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। সরকার ও জনগণের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে পুলিশ বাহিনীকে নতুন নৈতিকতা ও মূল্যবোধে শিক্ষিত করতে হবে। সাংবাদিকদের পরিবারের জন্য পেনশনের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তিনি।

দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্র চাই, আমরা স্বাধীন সাংবাদিকতা চাই এবং সুশাসন চাই।’ তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে খুব বেশি কথা বলছে না। আমরা ইতোমধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দেখতে পাচ্ছি। আমার অনুরোধ হলো, জলবায়ু পরিবর্তনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।’

মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আমরা লিখতে চাই, আমরা বলতে চাই। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর গণমাধ্যম অনেকটাই স্বাধীন, অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। কারণ মব ভায়োলেন্সে আমরা সাহসী হতে পারছি না। মিডিয়া অফিসে যখন আগুন দেওয়া হয়, তখন আমার ভাবতে কষ্ট লাগে যে আমরা জাহান্নামে আছি না বেহেশতে আছি।’

নিউএজের সম্পাদক নুরুল কবীর বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানে অনেক মানুষ আত্মদান করেছেন। সেই আত্মদানের ভিত্তিতে মানুষের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়ে উঠবার প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি আমরা। তাই এই সময়ে পরস্পরকে দোষারোপ না করে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে সবকিছুকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার দিকে এগোনোর আলোচনা হলে সময়ের প্রতি সুবিচার হবে।’

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম আর মিডিয়ার গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা- এই দুটি হাত ধরাধরি করে চলেছে। আমরা যদি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর চাই, তাহলে অবশ্যই গণতান্ত্রিক রাজনীতির পাশাপাশি একটা গণতান্ত্রিক সাংবাদিকতার পরিবেশ থাকতে হবে।’

কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুযোগ পেয়েছি। তার যদি সঠিক ব্যবহার করতে পারি, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করবে। যদি আমরা ব্যর্থ হই, তাহলে খলনায়কে পরিণত হব।’ তিনি বলেন, ‘গোয়েন্দাশাসিত মিডিয়া আমরা চাই না। সত্যিকার অর্থে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চাই।’

সভায় সম্পাদকদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন দৈনিক ইনকিলাবের এ এম এম বাহাউদ্দিন, আমার দেশের মাহমুদুর রহমান, যুগান্তরের আবদুল হাই শিকদার, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের তৌফিক ইমরোজ খালিদী, নয়াদিগন্তের সালাহউদ্দিন বাবর, ইটিভির সিইও আবদুস সালাম, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাহেদুর রহমান প্রমুখ।

এ ছাড়া সম্পাদকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউএনবির প্রধান সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ খান, খবরের কাগজের সম্পাদক মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশ প্রতিদিনের আবু তাহের, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এর ইনাম আহমেদ, সংবাদের আলতামাশ কবির, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের শামসুল হক জাহিদ, প্রতিদিনের বাংলাদেশের মারুফ কামাল খান সোহেল, দেশ রূপান্তরের কামাল উদ্দিন সবুজ, দৈনিক সমকালের শাহেদ মোহাম্মদ আলী, বণিক বার্তার দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, ডেইলি সানের রেজাউল করিম লোটাস, কালবেলার সন্তোষ শর্মা, আজকের পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল হাসান, মানবকণ্ঠের শহীদুল ইসলাম, নিউ নেশনের মোকাররম হোসেন, বাসসের চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীন ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ, সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরীফ, সময়ের আলোর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ শাহনাজ করিম, যুগান্তরের নির্বাহী সম্পাদক এনাম আবেদীন, জনকণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক খুরশীদ আলম, বাংলাবাজার পত্রিকার  বার্তা সম্পাদক রাশেদুল হক, টাইমস অব বাংলাদেশ এর উপদেষ্টা সম্পাদক ইলিয়াস খান, আমাদের সময়ের নজরুল ইসলাম, নাগরিক প্রতিদিনের হাসনাইন খুরশীদ, বাংলা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, ঢাকা মেইলের সম্পাদক হারুন জামিল, ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক জাফর সোবহান, ঢাকা পোস্টের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল ইসলাম, বিবিসির সম্পাদক সাবির মোস্তফা ও বিশেষ প্রতিনিধি কাদির কল্লোল, আল-জাজিরার তানভীর চৌধুরী, রয়টার্সের রুমা পাল, এএফপির শেখ সাবিহা আলম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মাহবুব আলম, জেনারেল ম্যানেজার নুরুল আজম পবন, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক জেড এম জাহেদুর রহমান, বেসরকারি টেলিভিশনের শীর্ষ প্রধানদের মধ্যে ছিলেন চ্যানেল আইয়ের শাইখ সিরাজ, সময় টিভির আহমেদ জোবায়ের, বাংলা ভিশনের আবদুল হাই সিদ্দিকী, এনটিভির ফখরুল আলম কাঞ্চন ও মুজতবা খন্দকার, যমুনা টিভির ফাহিম আহমেদ, ডিবিসির লোটন একরাম, একাত্তর টিভির শফিক আহমেদ, এটিএনের হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ, বৈশাখী টিভির জিয়াউল কবীর সুমন, নিউজ টোয়েন্টিফোরের শরীফুল ইসলাম খান, গ্রীন টিভির মাহমুদ হাসান, গাজী টিভির গাউসুল আজম দীপু, এটিএন নিউজের শহীদুল আজম, মাছরাঙার রেজোয়ানুল হক রাজা, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের জহিরুল আলম, আরটিভির ইলিয়াস হোসেন, মোহনা টিভির এম এ মালেক, স্টার টিভির ওয়ালিউর রহমান মিরাজ, এখন টিভির তুষার আবদুল্লাহ, ইন্ডিপেনডেন্টের মোস্তফা আকমল, মাইটিভির ইউসুফ আলী প্রমুখ। সভায় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদার, আবদুল আউয়াল ঠাকুর, এম এ আজিজ, মাসুদ কামাল, নুরু উদ্দিন নুরু, এ কে এম মহসিন, দেশ রূপান্তরের সাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, খাজা মাইন উদ্দিন, জাহেদুল ইসলাম রনি, হাফিজুর রহমান, গিয়াস উদ্দিন রিমন, হাফিজুর রহমান সরকারসহ বিভিন্ন পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ ও হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদী আমীন, মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন, শাম্মী আখতার, শায়রুল কবির খান, আবু সায়েম, বিএনপির সাইমুম পারভেজ, শামসুদ্দিন দিদার, চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার এবং চেয়ারম্যানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামসুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

মনোয়ারুল হক/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook
ব্রেকিং নিউজ