একাদশে ভর্তির ফল প্রকাশ

প্রতিবেদক, এবিসিনিউজবিডি,

ঢাকা : একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তির জন্য মনোনীতদের প্রথম মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মেধাপতালিকার এই শিক্ষার্থীরা ১৮-২২ জুন পর্যন্ত নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পাড়বে।

১৬ জুন (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদগ সম্মেলনে ভর্তির ফল প্রকাশ করেন।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সারাদেশে ভর্তির জন্য আসন রয়েছে ২১ লাখ ১৪ হাজার ২৫৬। এক্ষেত্রে প্রায় ৭ লাখ আসন খালি পড়ে থাকবে। কেউ বলতে পারবে না যে, আসনের অভাবে আমরা ভর্তি হতে পারিনি।’

শিক্ষামন্ত্রী জানান, চলতি বছর ১৩ লাখ ১ হাজার ৯৯ শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন করে। এসএসসিতে পাস করা ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৬৬ জন আবেদন করেনি। ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় মোট পাস করেছিল ১৪ লাখ ৫৫ হাজার ৩৬৫ জন।

মন্ত্রী জানান, সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে ৪ হাজার ৫২৭টি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা ভর্তির আবেদন করেছে। মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড থেকে ২৭০১টি এবং কারিগরী শিক্ষাবোর্ড থেকে ১৮৫৭টি (সর্বমোট ৯০৮৫টি) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির আবেদন করা হয়েছে।

এদিকে সারাদেশে ৪৮টি প্রতিষ্ঠানে কেউ ভর্তির আবেদন করেনি। তার মধ্যে কারগরিতে আছে ৩৬টি, মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডে ১০টি, ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে একটি এবং রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে একটি।

ভর্তির সময়সূচি
১৬ জুন মনোনীতদের মেধানুযায়ী তালিকা আবেদনকৃত প্রতিটি প্রতিষ্ঠান প্রকাশ করবে। ১৮ থেকে ২২ জুন মেধা তালিকা এবং ২৩ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত অপেক্ষমাণ তালিকার ভর্তিচ্ছুরা পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে।

তবে ১০ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত বিলম্ব ফি দিয়ে ভর্তির সুযোগ থাকছে। ১০ জুলাই একাদশের শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হবে। ৭ থেকে ১৮ আগস্টের মধ্যে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য ফি বোর্ডে জমা দিতে হবে। ২২ থেকে ৩১ আগস্ট ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ফি জমার স্লিপ বোর্ডে প্রদান করতে হবে।

ভর্তি ফি
সেশন ফিসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকায় ১ হাজার টাকা। পৌর (জেলা সদর) ২ হাজার টাকা। ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকা।

ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সেশন ফিসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে ৫ হাজার টাকা। আংশিক এমপিওভুক্ত, এমপিও বহির্ভুত প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন ফিসহ বাংলা মাধ্যমে ৯ হাজার, ইংরেজি ভার্সনে ১০ হাজার টাকা। কোনোভাবেই উন্নয়ন ফি ৩ হাজারের বেশি হবে না। সকল প্রকার ফি রশিদ প্রদানের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে।

অন্যান্য ফির সঙ্গে বোর্ড থেকে নির্ধারিত আরো ফি
রেজিস্ট্রশন ফি ১২০,  ক্রীড়া ফি ৩০, রোভার/রেঞ্জার ফি ১৫, রেড ক্রিসেন্ট ফি ২০, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি ৭, বিএনসিসি ফি ৫ টাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করতে হবে। কোনো শিক্ষার্থীর পাঠ বিরতি থাকলে ১০০ টাকা সঙ্গে বিলম্ব ভর্তি ফি ৫০ টাকা প্রদান করতে হবে।

শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে নীতিমালার কোনোরূপ ব্যত্যয় ঘটানো হলে বেসরকারি কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি বা স্বীকৃতি বাতিলসহ কলেজটির এমপিওভুক্তি বাতিল করা হবে। সরকারি কলেজ বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে পূর্বে প্রকাশিত নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook
ব্রেকিং নিউজ